ForeverMissed
This memorial website was created in memory of our loved one, Indrani Banerjee.

As a teacher par excellence, she touched thousands of lives. After teaching at a number of institutions from nursery schools to various colleges, for the last 7 years until her last days, she worked tirelessly towards improving girls education as the headmistress of a higher-secondary school in rural West Bengal. 

Indrani was a talented singer specializing in songs of Tagore and other devotional genres. She was an accomplished writer and had a natural gift for poetry. She had vast knowledge of philosophy, education, political science and Hindu scriptures. She was deeply spiritual and was an eminent scholar of Gita - the sacred Hindu text. She was a gifted public speaker and well known for her ability to lecture on the practical lessons of Gita and it's philosophical connections with Tagore, Sri Aurobindo, Vivekananda, and other prominent thinkers. 

She loved to travel, to experience various cultures and cuisines, to live life with aplomb. She was a fighter who could instill confidence in the bleakest of moments. As an educationalist, as a devoted mother, as a cherished friend and colleague, we will remember her forever.

She is survived by Alok Ranjan Banerjee (husband), Chandrani Bhattacharya (sister), Sanchari Ghosh (daughter-in-law) and Arkarup Banerjee (son). 

Please write a few lines as a tribute or share some stories about your interactions with her. Website maintained by Arkarup. Please email with issues/suggestions at arkarup@gmail.com


Posted by Arkarup Banerjee on June 25, 2022
On the occasion of celebrating Ma’s birthday - 25th June, 2022.

প্রথমত সবাই কে আজকে আসার জন্য ধন্যবাদ। আমি আজকে আপনাদের সবার মধ্যে উপস্থিত থাকতে পারছি না,
কিন্তু প্রযুক্তির মাধ্যমে অল্প কিছু কথা বলার সুযোগ হয়েছে। আমি খুবই খুশি যে আজকে মায়ের জন্মদিন এ,
আবার করে গীতা মিশন শুরু হচ্ছ। এইটা মায়ের খুবই কাছের, খুবই প্রিয় একটা সংঘটন।
গান, নাচ, আবৃতি, আলোচনার মধ্যে দিয়ে আজকে মা কে স্বরণ করা হচ্ছে। মায়ের মতন একজন সৃষ্টিশীল মানুষ
এর জন্যে এটাই উপযুক্ত। 

আমি এই মুহূর্তে নিউ ইয়র্ক এর একটা শহরতলি - কোল্ড স্প্রিং হারবার এ আমার অফিস এ বসে আছি।
আমার অফিস এর জানলা দিয়ে আকাশ দেখা যাচ্ছে। ঝকঝকে আকাশ, কোথাও কোনো মেঘের চিহ্ন নে।
কিন্তু মন ভারাক্রান্ত। গত ৩৫ বছর ধরে মায়ের জন্মদিন আনন্দের সাথে পালন করেছি কিন্তু আজকের দিনে তো শুধু আনন্দ হচ্ছে না।
মনের ভেতর বিরাট দ্বন্দ্ব কাজ করছে। মা কে এক বছর হলো হারিয়েছি, কিন্তু মায়ের কথা, মায়ের গান,
মায়ের ভালোবাসা, মায়ের অভিমান সবই যেন একইরকম ভাবেই আছে। মায়ের ফোন নম্বর এখনো মুখস্ত কিন্তু আজকে
রাত বারোটার সময় সেই পরিচিত ফোন নম্বর এ ফোন করা হবে না। মা র অভিযোগ ছিল যে ছেলে মন খুলে কথা বলে না,
কিন্তু আজ দেখুন মনের কথা ঝরঝর করে বলে ফেললাম। তাই সব মিলিয়ে মন এর ভেতর শুধুই দ্বন্দ্ব, কনট্রাডিকশন।
আমি জানি আমার এই অনুভূতি আজকে উপস্থিত অনেকেরই মনে হচ্ছে।

এই দ্বন্দ্ব কাটবে কিভাবে? এই সব প্রশ্নের উত্তর মা ভালো দিতে পারত। আমি পারি না। তাই আপাতত মায়ের থেকে ছোটবেলায়
শেখা সেই অতি পরিচিত রবি ঠাকুর এর গান শুনছি আর গলা মেলাচ্ছি -

"তখন কে বলে গো সেই প্রভাতে নেই আমি
সকল খেলায়
সকল খেলায় করবে খেলা এই আমি, আহা
কে বলে গো সেই প্রভাতে নেই আমি
নতুন নামে ডাকবে মোরে, বাঁধবে
বাঁধবে নতুন বাহু-ডোরে
আসব যাব চিরদিনের সেই আমি
তখন আমায় নাইবা মনে রাখলে
তারার পানে চেয়ে চেয়ে নাইবা আমায় ডাকলে
যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে
পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে"
Posted by Kyoko Yokoyama on November 5, 2021
Some of my friends had finished their lives here during the second times lockdown.
But for me, her leaving was the most painful and still can't believe.
I met her in January 2017 after Ganga Sagar Mela with an ayurvedic doctor from Rishikesh.
We visited her house suddenly without any appointments, but she and her husband welcomed us and let us stay in their home for few days with their warmest hearts.
Though the ayurvedic doctor did some treatments for her, I didn't know about her health problems that time.
In February 2019, I visited her house again alone, and she took me to her school for Saraswati Puja.
When we came back to her home, we visited her medical doctor.
Then I knew her health problems.
My father also has the same health problems for many years without operation, but still possible to continue normal life.
So, I was believing that she'll recover and we'll meet soon.
Before she merged with God, I was in Varanasi for 8 months, and really wanted to meet her again if no lockdown..
She was like an avatar of Saraswati.
I'm remembering her beautiful voice.
Posted by Arkarup Banerjee on June 26, 2021
On behalf of Kajal Chakraborty

আমার বন্ধু(আলোক রঞ্জন ব্যানার্জী) র পত্নী,আমার বন্ধু,আমার বোন,আমার ভালোবাসা ও স্নেহাস্পদ,বিদুষী পন্ডিত,সংস্কৃতিসমৃদ্ধ,আধ্যাত্মিক জ্ঞানসম্পন্না সদা হাস্যময়ী, সুভাষিনী সর্বোপরি আমার শ্রদ্ধার হ্যাঁ,আমার শ্রদ্ধার মানুষ " ইন্দ্রানী " কে------------------

এভাবেই চলে যেতে হয়?
*********************
কাজল চক্রবর্তী(চন্দননগর)
*************************
অশ্রুনদী প্লাবিত করেছে হৃদয়
বিস্ময়ে স্থির দুটি অশ্রুহীন নেত্র,
নিশি শেষে এক উষ্ণ প্রভঞ্জন 
বলে গেলো "তুমি নেই,"
কখন গিয়েছো চলে,
সেই তেমনি মধুর হেসে
এই সকালেই,অকাল অস্তাচলে,
বিস্মিত স্তম্ভিত ব্যাথা-জর্জর
তোমার সাধের বিচরণ ক্ষেত্র,
স্তব্ধ,বাকরোহিত,নিথর,পাষাণ
তোমার প্রাণ-সুধা-বরিষনে স্নাত
কতশত লতা-গুল্ম কতশত বিটপির প্রাণ,
কি শোকে? কি সুখে বলো
এ ভাবেই চলে যেতে হয়?

এ কেমন সকাল বন্ধু,
বলোতো এ কেমন সূর্যোদয়?
************************
    কাজল চক্রবর্তী(চন্দননগর)
        ২৬/০৬/২০২১
Posted by Dinesh Kumar Singh on June 25, 2021
I cannot define my relationship with her not because I don't want to but because I don't know. No single currently defined relationships can define it. But overall, Her life was life "pure Ganges Water"- pure because she used to things for people (relatives included) out of Divine Love, Ganges- because she used to take in and feel other people's miseries and sorrows and cure them/ heal them without affecting her purity and finally she was like water (synonym for life).. Her absence has already made a lot of people lifeless like mine. She was the water I (and many others, I suppose) used to clean and rinse my soul and quench my thirst with her sweet voice/inspiration whenever I was need of one. I hope we can materialize her dreams in our own ways and keep her essence alive for ever.
Posted by Moumita Ghosh on June 24, 2021
To me,She is the true embodiement of immense moral,spiritual and physical power.The word 'impossible' is to be found nowhere in her dictionary.You may be surprised on seeing me using the term "is" but I say why not is when thousands enriched by her ideas and ideals are still shaping their lives and future keeping those ideals in their mind.The body perishes But the soul never dies and a person like her is immortal for She will live in the hearts of millions for years to come.If anyone asks me about her it will be a never ending chapter for She was like an angel who taught me the lessons of life,to help someone in dire need and to fight against all odds and never to give up.

       She always said,Do pray because prayers are priceless and they posses the maximum spiritual power.
     
            I am very much blessed to have a person like you in my life.One of the best gifts I have got from God was to have a person like you in my life.Much love❤❤❤(দি ভাই)
                  আপনার "সোনা "।
           
Posted by Debnath Mukhopadhyay on June 20, 2021
আমার পরম স্নেহভাজন ভ্রাতৃপ্রতিম বন্ধু আলোকের স্ত্রী ইন্দ্রাণী l আলোকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক দীর্ঘদিনের, সেই শ্রীকান্ত দার সময় থেকে ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন প্রাক্তন ছাত্র সমিতিতে কাজ করার সুবাদে l কিন্তু কি আশ্চর্য, ইন্দ্রাণীর সঙ্গে আমার পরিচয় হল অনেক দেরিতে l শুনেছিলাম বিদুষী মহিলা, কলকাতার নামী স্কুল-কলেজে শিক্ষাপ্রাপ্ত এবং নানা নামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতার অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ l পরিচয় হতেই দাদা-বোনের সম্পর্ক, ওর আলোকবৃত্তে আসতেই বুঝলাম অনেক দেরি হয়ে গেছে l আফসোস করেছি আরও আগে কেন পরিচয় হল না l এত গুণের স্বাদ তো পাওয়া হল না l সাহিত্যে, সংগীতে, কথনে পারদর্শী, জ্ঞান ও বোধের সমন্বয়ে মানুষ হিসেবে তার উচ্চতা, অদম্য ইতিবাচক জীবনদর্শন ইন্দ্রাণীকে করে তুলেছিল অনন্য l আদর্শ শিক্ষক বললে সবটা বলা হয় না l অধীত জ্ঞান, বিদ্যা আগ্রহী গ্রহীতাকে বিলিয়ে দিতে ওর একটা উদগ্র আবেগ কাজ করত l অতিমারীর এই গোটা পর্বে ওকে শরীরের সঙ্গে একটা হার না মানা লড়াই করতে হয়েছে l তার মধ্যেও দেখেছি অনলাইনে ছাত্রীদের পাঠদানে কী অক্লান্ত পরিশ্রম করতে l পিছিয়ে থাকা ছাত্রী-গোষ্ঠী নিয়ে কী অসামান্য আন্তরিকতা আর ভালোবাসা দিয়ে ওর প্রধান শিক্ষকতায় বৈদ্যপুরের স্কুলটিকে পূ:বর্ধমান জেলার পুরোভাগে উন্নীত করে দিল তার সাক্ষী থেকেছি আমি l এত গুণের কণামাত্র অহংকার ওকে কখনও ছুঁতে পারে নি l সকলের ভালোবাসার দিদি হয়েই চলে গেল l আমার ছোট বোন, কিন্তু তাকে সম্মান আর শ্রদ্ধা জানাতে আমার কোনো কুন্ঠা নেই l
ইন্দ্রাণীর ২০১৯-র জন্মদিনে আমাকে আর আমার স্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেছিল একটা কবিতা লিখে নিয়ে যেতে l সেই কবিতাটি দিয়ে আমি আমার স্মৃতিতর্পণ সমাপ্ত করছি:
  
    আলোকবর্তিকা হাতে
    এক সমুদ্র অন্ধকার চিরে
    মোজেসের মত পথ চিনে
    আগুয়ান তুমি l
    যুগ যুগান্ত আঁধারে ঘেরা মুখগুলো
    তোমার বর্তিকালোকে উদ্ভাসিত
    সে ঔজ্বল্যে তুমি উজ্জ্বলতর
    প্রাণরসে উজ্জীবিত তুমি
    শিখর থেকে শিখরাসিন--
    "প্রাণ ভরিয়ে তৃষা হরিয়ে
     ----আরো আরো আরো দাও প্রাণ"l
     জন্মদিন শুভ হোক
     নব নব অন্বেষণে দীপ্ত হোক l
Posted by Soumee Ghose on June 20, 2021
Should i start from that 1st day at Toppers' House in 2006 ,when i was uncouth and still adamant?
Or, the last video call,when i was still awkward, but an adult and distant from her.
She was always 'IB madam' for me. Ohh what a relationship we had ! She was that difficult teacher i could not deny! Me, well ,i was that rigid,stubborn adolescent who had started being radical and was coming back to her again and again inspite of those crossfires,only for that very spark !
So it always personal for me. She had become the third parent teaching me about life . English, History and all those subjects for the semesters would find their way anyway .
She was teaching me how to respect life and humanity, how to keep all the doors open , how to think beyond the rule book of the society ,how to fight and fall,and fight again, all of which she had been practising everyday.
There are so many of her sentences i pass on to my people,one of my favorites being,'Be open to all ideas,but keep the sieve with you'.
I can go on , but just like in life i had moved on and away from her (simply because that's life!), So shall be here .
Honestly, right or wrong , i have very rarely remembered her specially and called her( only that last time i told her how much i remember her words),because she is a part of my thinking process and will continue to remain so forever.

Posted by Arkarup Banerjee on June 20, 2021
On behalf of Pradip Chakraborty (friend)

নানা গুনে সমৃদ্ধ ইন্দ্রাণীর আসল জায়গা ছিল ওর আধ্যাত্মিক চেতনা আর মানবিকতা। ভগবদ্গীতা ছিলো ওঁর অন্তরের অন্তঃস্থলে। সাধারণের মধ্যে ও ছিলো অসাধারণ। কত সহজভাবে দুরারোগ্য ব্যাধি কে নিয়ে অমলিন হাসি মুখে কাজ করে গেছে দীর্ঘদিন। এই কঠিন সময়েও ও ছিলো বহু মানুষের প্রেরণা।
আজ ওঁর অবস্থান ওঁর ই আরাধ্যলোকএ।ওঁর অবিনস্বর আত্মা শান্তিতে থাকুক প্রার্থনা করি।
Posted by Arkarup Banerjee on June 19, 2021
On behalf of Nandita Sarkar (friend)

ইন্দ্রাণীকে হারালাম, আবার অভিভাবকহীন হলাম।মিত্রত্ব কথাটির ব্যক্তিরূপ , ছিল ইন্দ্রাণী। প্রার্থনা করি তোমার যাত্রাপথ সুগম হ'ক।
Posted by Arkarup Banerjee on June 18, 2021
On behalf of Krishna Banerjee (friend)

ইন্দ্রাণী,তুমি আমার 28বছরের পুরোনো বন্ধু,এমনি করে কি সঙ্গ ত্যাগ করতে হয়। কাল রাত 3টের সময় খবরটা দেখে আমি অবাক । কিছু দিন আগেও তো তুমি গান গেয়ে শোনালে।আমার ভালোবাসা সব সময় তোমার সঙ্গে থাকবে।ভালো থেকো । ইন্দ্রাণী, 28বছরের বন্ধু তুমি আমার ।এমনি করে ছেড়ে গেলে! ভালোবাসা রইল। ভালো থেকো।
Posted by Arkarup Banerjee on June 18, 2021
On behalf of Bijaya Chanda (student)

আমি কাল রাতে ফেসবুক থেকেই জানতে পারি ইন্দ্রানী ব্যানার্জী চলে গেছেন। ইন্দ্রানীদি আমার থেকে মাত্র ছয় বছরের বড় ছিলেন কিন্তু আমি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়ার সুবাদে যে কয়েক জন অসাধারণ শিক্ষকের সংস্পর্শে এসেছি তাদের মধ্যে উনি অন্যতম। উনি আমাদের কাছে মানে হাজরা ল কলেজের ছাত্র-ছাত্রী দের কাছে আই.সি. নামে পরিচিত ছিলেন। আমি ওনার কাছে পলিটিক্যাল থট্ পড়েছি মাত্র একবছর। আর তারপর যোগাযোগ ছিল আঠাশ বছর। এই যোগাযোগ নিয়মিত কথা-বার্তার না হলেও এক গভীর আত্মীক যোগাযোগ। দু'জনেই চেয়েছিলাম সুযোগ মত একবার দেখা করে অনেক গল্প করব। সেই সুযোগ আর হোলো না। তবু চোখে জল এলেই মনে পড়ছে আই.সি. কে আর মেশোমশাই অর্থাৎ আই.সি.-র বাবাকে যারা দু'জনে ই আমাকে সত্য কে সাহসের সঙ্গে সহজভাবে জীবনে গ্রহন করার শিক্ষা দিতে চেয়েছেন।
Posted by Arkarup Banerjee on June 18, 2021
On behalf of Piu Mukherjee (student)

ফেসবুকে কোনো দুঃখের কথা আমার লিখতে কোনো দিনও ভালোলাগে না। কিন্তু আজ না লিখে পারলাম না। খবরটা পেয়েই চোখের কোণে অজান্তেই এক চিলতে অশ্রুর অনুভূতি। ক্লাস 9 এ পড়ি যখন Indrani Banerjee দি আমাদের স্কুলে আসেন। ইতিহাসের ক্লাস নিতেন। ইতিহাসে ভয়ানক ফাঁকিবাজ আমি খুব ভয়ে থাকতাম ক্লাসে। দির ক্লাসে একদম অন্য মনস্কতা চলত না। কিন্তু অত্যন্ত ছাত্রী বৎসল দির কাছে সব সময় উৎসহই পেয়েছি। ওনার মিষ্টি হাসি আর মানবিকতা চিরকাল মন ছুঁতো। messenger এ কিছু দিন আগেও কেমন আছি খোঁজ নিয়েছেন। প্রাক্তনী অনুষ্ঠানে আমাদের বাহবা দিয়েছেন। মাত্র দুই বছর শিক্ষিকা হিসেবে পেয়েছি , কিন্তু আপনি ছিলেন, থাকবেন আমাদের মনে, চিরকাল।
Posted by Arkarup Banerjee on June 18, 2021
On behalf of Gargi Chattopadhyay (childhood friend)

ইন্দ্রাণীর সঙ্গে আবার মুখবই ও ফোনের কল্যাণে বহুদিন বাদে মাঝে মধ্যে যোগাযোগ হতো। মুখবইতে কর্মকাণ্ড দেখতাম। ও মারণরোগ নিয়ে ঘর করছিল ; তাই চলে যাওয়া আকস্মিক নয়।
ওর সঙ্গে গত বছর দুতিনবার ফোনে দীর্ঘ আড্ডা হয়েছে। গণমাধ্যমে তো বটেই; ওর কথা থেকে বুঝতাম কি সহৃদয় আর ছাত্র দরদী টিচার ছিল। ছাত্রীদের জন্য আর নিজের ও লড়াই ছিল নানান রকম।
তারই মধ্যে সময় করে ও আলাদা আলাদা করে আন্তরিকতার ছোঁয়া মাখিয়ে অনেককে গান পাঠাতো। আমিও পেতাম। এত রোগভোগের পরেও কি সুরেলা ছোট্ট মেয়ের মতন গলার আওয়াজ ছিল; পেলেই আনন্দ হতো। মনে ভাবতাম গাইছে তো নিটোল করে ......তাহলে ভালোই তো আছে।
ছোট বেলায় দুবেণী করা ফরসা লালচে গাল টুকটুকে ইন্দ্রাণী নিজের মতন চলতো। হয়তো তখনকার ধরাবাঁধা frame এর একটু বাইরে। একটু জেদী আর ভালমন্দ র একটা আদর্শ ছিল। সবার সঙ্গে গা ভাসাতোনা। পরবর্তীতে নিজের আদর্শ নিয়েই চলেছে বলে আমার মনে হয়েছে।
শেষ কথা যখন হয় গত বছর; মনে হল কত ছোটবেলার টুকরো মিষ্টি ঘটনা; যা আমরা অকিঞ্চিত্কর বলে উড়িয়ে দিয়েছি হয়তো বা; তা ও সযত্নে রেখেছে। সেটা ওর অনুভূতিশীল মন বলে।
দৈনন্দিন পাপক্ষয়ে ব্যস্ত এত যে ওর গান পাঠানো কিছু মাস বন্ধ হয়েছে খেয়াল রাখা হয়নি। জানি না পরলোক অমৃতলোক আদতে হয় কিনা; কিন্তু তুই তোর কাজের মধ্যে দিয়ে অনেক কে ছুঁয়ে গেলি, ফুল ফুটিয়ে গেলি।
Posted by Arkarup Banerjee on June 18, 2021
On behalf of Nandita Bhandari (childhood friend)

পথ চলতিস হাতটি নিয়ে হাতে
দূরে থেকেও ছিলিস সাথে সাথে,
চলে গেলি হাতটি আমার ছেড়ে,
যাতনা বুঝি সইতে না পেরে?

এবারেও পথ দেখাতে হবে তোকে
আছিস যেথায় সেই অমৃতলোকে,
ইন্দ্রা ও মুন মিলবে দুজনায়
বন্ধনহীন অসীম শূন্যতায়।

Leave a Tribute

 
Recent Tributes
Posted by Arkarup Banerjee on June 25, 2022
On the occasion of celebrating Ma’s birthday - 25th June, 2022.

প্রথমত সবাই কে আজকে আসার জন্য ধন্যবাদ। আমি আজকে আপনাদের সবার মধ্যে উপস্থিত থাকতে পারছি না,
কিন্তু প্রযুক্তির মাধ্যমে অল্প কিছু কথা বলার সুযোগ হয়েছে। আমি খুবই খুশি যে আজকে মায়ের জন্মদিন এ,
আবার করে গীতা মিশন শুরু হচ্ছ। এইটা মায়ের খুবই কাছের, খুবই প্রিয় একটা সংঘটন।
গান, নাচ, আবৃতি, আলোচনার মধ্যে দিয়ে আজকে মা কে স্বরণ করা হচ্ছে। মায়ের মতন একজন সৃষ্টিশীল মানুষ
এর জন্যে এটাই উপযুক্ত। 

আমি এই মুহূর্তে নিউ ইয়র্ক এর একটা শহরতলি - কোল্ড স্প্রিং হারবার এ আমার অফিস এ বসে আছি।
আমার অফিস এর জানলা দিয়ে আকাশ দেখা যাচ্ছে। ঝকঝকে আকাশ, কোথাও কোনো মেঘের চিহ্ন নে।
কিন্তু মন ভারাক্রান্ত। গত ৩৫ বছর ধরে মায়ের জন্মদিন আনন্দের সাথে পালন করেছি কিন্তু আজকের দিনে তো শুধু আনন্দ হচ্ছে না।
মনের ভেতর বিরাট দ্বন্দ্ব কাজ করছে। মা কে এক বছর হলো হারিয়েছি, কিন্তু মায়ের কথা, মায়ের গান,
মায়ের ভালোবাসা, মায়ের অভিমান সবই যেন একইরকম ভাবেই আছে। মায়ের ফোন নম্বর এখনো মুখস্ত কিন্তু আজকে
রাত বারোটার সময় সেই পরিচিত ফোন নম্বর এ ফোন করা হবে না। মা র অভিযোগ ছিল যে ছেলে মন খুলে কথা বলে না,
কিন্তু আজ দেখুন মনের কথা ঝরঝর করে বলে ফেললাম। তাই সব মিলিয়ে মন এর ভেতর শুধুই দ্বন্দ্ব, কনট্রাডিকশন।
আমি জানি আমার এই অনুভূতি আজকে উপস্থিত অনেকেরই মনে হচ্ছে।

এই দ্বন্দ্ব কাটবে কিভাবে? এই সব প্রশ্নের উত্তর মা ভালো দিতে পারত। আমি পারি না। তাই আপাতত মায়ের থেকে ছোটবেলায়
শেখা সেই অতি পরিচিত রবি ঠাকুর এর গান শুনছি আর গলা মেলাচ্ছি -

"তখন কে বলে গো সেই প্রভাতে নেই আমি
সকল খেলায়
সকল খেলায় করবে খেলা এই আমি, আহা
কে বলে গো সেই প্রভাতে নেই আমি
নতুন নামে ডাকবে মোরে, বাঁধবে
বাঁধবে নতুন বাহু-ডোরে
আসব যাব চিরদিনের সেই আমি
তখন আমায় নাইবা মনে রাখলে
তারার পানে চেয়ে চেয়ে নাইবা আমায় ডাকলে
যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে
পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন এই বাটে"
Posted by Kyoko Yokoyama on November 5, 2021
Some of my friends had finished their lives here during the second times lockdown.
But for me, her leaving was the most painful and still can't believe.
I met her in January 2017 after Ganga Sagar Mela with an ayurvedic doctor from Rishikesh.
We visited her house suddenly without any appointments, but she and her husband welcomed us and let us stay in their home for few days with their warmest hearts.
Though the ayurvedic doctor did some treatments for her, I didn't know about her health problems that time.
In February 2019, I visited her house again alone, and she took me to her school for Saraswati Puja.
When we came back to her home, we visited her medical doctor.
Then I knew her health problems.
My father also has the same health problems for many years without operation, but still possible to continue normal life.
So, I was believing that she'll recover and we'll meet soon.
Before she merged with God, I was in Varanasi for 8 months, and really wanted to meet her again if no lockdown..
She was like an avatar of Saraswati.
I'm remembering her beautiful voice.
Posted by Arkarup Banerjee on June 26, 2021
On behalf of Kajal Chakraborty

আমার বন্ধু(আলোক রঞ্জন ব্যানার্জী) র পত্নী,আমার বন্ধু,আমার বোন,আমার ভালোবাসা ও স্নেহাস্পদ,বিদুষী পন্ডিত,সংস্কৃতিসমৃদ্ধ,আধ্যাত্মিক জ্ঞানসম্পন্না সদা হাস্যময়ী, সুভাষিনী সর্বোপরি আমার শ্রদ্ধার হ্যাঁ,আমার শ্রদ্ধার মানুষ " ইন্দ্রানী " কে------------------

এভাবেই চলে যেতে হয়?
*********************
কাজল চক্রবর্তী(চন্দননগর)
*************************
অশ্রুনদী প্লাবিত করেছে হৃদয়
বিস্ময়ে স্থির দুটি অশ্রুহীন নেত্র,
নিশি শেষে এক উষ্ণ প্রভঞ্জন 
বলে গেলো "তুমি নেই,"
কখন গিয়েছো চলে,
সেই তেমনি মধুর হেসে
এই সকালেই,অকাল অস্তাচলে,
বিস্মিত স্তম্ভিত ব্যাথা-জর্জর
তোমার সাধের বিচরণ ক্ষেত্র,
স্তব্ধ,বাকরোহিত,নিথর,পাষাণ
তোমার প্রাণ-সুধা-বরিষনে স্নাত
কতশত লতা-গুল্ম কতশত বিটপির প্রাণ,
কি শোকে? কি সুখে বলো
এ ভাবেই চলে যেতে হয়?

এ কেমন সকাল বন্ধু,
বলোতো এ কেমন সূর্যোদয়?
************************
    কাজল চক্রবর্তী(চন্দননগর)
        ২৬/০৬/২০২১
her Life

Childhood

Indrani was born in Calcutta, India on 25th June,1962. Her father, Shyamalhari Chatterjee, was a literary man with a deep and abiding interest in science and the arts. Kalyani Chatterjee, her mother, was a kind-hearted housewife. She grew up along with her younger sister Chandrani, at 21B Mahendra Road, adjacent to the "ladies park" in Bhowanipur. They were a family of modest means yet the bookshelves adorned everything from Shakespearean classics to the the dance-dramas of Tagore. Naturally, books became her companions and she developed an insatiable thirst for knowledge, which continued all throughout her life. Encouraged by some dedicated teachers of St. John’s diocesan school in Calcutta, she decided to pursue a career in academia. Yet, her first love was music. She was blessed with a melodious voice. She trained as a vocalist, especially songs of Tagore (Rabindrasangeet) from an early age and was conferred with the prestigious honorary degree of “Geetabharati” from Gitabitan, Kolkata. Later in life, under the guidance of renowned singer Krishna Chattopadhyay, she enjoyed singing other genres especiallysongs by Rajanikanta Sen, Atulprasad Se, D.L.Roy as well as Sanskrit shlokas. 

Education

Indrani studied at St. John's Diocesan school in Calcutta and completed her higher secondary education from Lady Brabourne College. After finishing her higher secondary education, she continued at Lady Brabourne college to study Political Science for her Bachelors degree and subsequently finished her Masters degree from Calcutta University. The history of the world and the societal norms that we take for granted today have been shaped by myriad political ideas since the dawn of history. Studying Political science allowed her to understand how our society came to be what it is today and appreciate other allied disciplines such as history and law. She went on to study International relations, a sub-topic with a more modern outlook for her M. Phil degree from Jadavpur University, Calcutta. She became aware of India’s foreign policy, which forms the backbone of a country. She took great interest in the non-alignment movement, discussions about capitalism versus communism, how and why the League of Nations failed to maintain world peace and what might be the best practices to ensure the continued success of the United Nations. She carried out original research on “Gandhi’s constructive program – its relevance in contemporary society” under the tutelage of Dr. Gauripada Bhattacharya, a renowned authority on the subject. Her research compared and contrasted Gandhi’s ideas with that of his contemporaries, including his disagreements with Rabindranath Tagore and Netaji Subhash Bose. Later, she also completed a second Bachelors degree in Education (B. Ed) from Burdwan University. 

Professional Life

In spite of doing well academically, her academic journey was neither simple nor straightforward. Decided by her parents, she was married off at the age of 19, in the second year of her undergraduate studies. After marriage, she was able to pursue higher education and completed post-graduate studies. She successfully balanced personal life with professional work.

During this period, she found herself in various professional roles all centered on education. While she taught kids nursery rhymes at St. Lawrence School in the morning, she lectured to post-graduate students at the Hazra Law College in the afternoon as a guest lecturer. She was also guest lecturer at Lady Brabourne College, her alma mater for a couple of years. Alongside, she managed to complete a degree in Education (B.Ed) to acquire formal training as a teacher. For a few years, she even taught at a competitive exam-coaching center called RICE, which prepared students for civil and school services. All of these jobs with their distinctive challenges broadened her horizons and she gathered the experience necessary for imparting education from toddlers to post-graduate students.

At the age of 37, she applied for the school service commission exam (SSC) competing with fellow applicants on an average a decade younger to her. Shemanaged to not only clear it but fortunately even topped the list among the West Bengal eastern region districts. She was overjoyed to get an appointment as a higher-secondary teacher at a remote all-girls school - The Garalgacha Balika Bidyalaya (GBB) near Dankuni, Hoogly. Thus began the next phase of her teaching life. She spent more than a decade in this school and while this stint was extremely rewarding and fulfilling, she realized with increasing certainty that authority counts and to facilitate radical changes, she needed to be at the helm and run a school hersel.

Having qualified the headmasters’ exam, she joined the Baidyapur Rajrajeshwar Balika Bidyalaya in Burdwan district as the headmistress in 2014. Over the last 7 years, till the very last day, she worked exceptionally hard for the upliftment of her students and her school.


Recent stories

আমার দিদি মনি ❤

Shared by Sohini Chakrabarty on June 26, 2021
আমি তখন অনেক ছোটো ষষ্ঠ শ্রেণীতে পরি। আপনার বাড়ি প্রথম গিয়ে ছিলাম । খুব ভালো লেগেছিল প্রথম দিন দেখেই । তারপর শুরু হয় যাওয়া আসা এবং ফোনে কথা বলা । তারপর আপনাকে দিদি মনি বলে ডাকা শুরু করি । আপনি আমাকে খুব ভালোবাসেন এখোনো । সেটা আমি মনে করি। আমি বিশ্বাস করি আপনি এখোনো আছেন । কোনোদিন আপনার সম্পর্কে অতীতে বা past tense কিছু বলতে পার বোনা । এখোনো আপনাকে খুব ভালোবাসি । আশা করছি আপনার সাথে আবার এক দিন দেখা হবে । বেশি কিছু লিখতে পার বোনা কারণ শেষ করতে পার বোনা । শুধু একটা কথা দিয়েই শেষ করি" didimoni you would always stay alive in my heart "❤            

আপনার সোহিনী ❤❤( আপনার ছোট্ট বন্ধু)

শুভ জন্মদিনে...

Shared by Moumita Ghosh on June 25, 2022
'যারা কাছে আছে তারা কাছে থাক, তারা তো পারেনা জানিতে,/তাহাদের চেয়ে তুমি কাছে আছো আমার হৃদয়খানিতে '- কতদিন তোমায় দেখি না দিভাই, কোথায় আছো কোন্ সুদূরের পারে, নাকি তোমার জন্য বৃহত্তর কোনো কাজ অপেক্ষা করছিল যার জন্য যাওয়ার এত তাড়া ছিল সেই কাজে মনোনিবেশ করেছ।আমাদের কথা মনে পড়ে? হয়তো বলছো যেভাবে আমরা তোমায় ভুলিনি সেইভাবে তুমিও আমাদের মনে রেখেছো, অনুভূতি দিয়ে যা বুঝতে হয়। সত্যিই তাই , আমরা তো ঈশ্বরকেও দেখিনি কখনো, কিন্তু দিনের বিশেষ কিছু ক্ষণে যেমন তাঁকে স্মরণ করি আর good vibrations, positive vibration দিয়ে নিজের আর অপরের মঙ্গলকামানা করি ঠিক তেমনই দিভাই তোমায় মনে মনে স্মরণ করলেই অনুভবে বোঝা যায় কিন্তু দেখার সাধ যে মেটে না।
            শুভ জন্মদিনের অনেক অভিনন্দন আর ভালোবাসা নিও দিভাই। তুমি যেখানেই থাকো ভালো থেকো আর আনন্দে থেকো। 
                     তোমার আদরের 'সোনা'।

Written by তৃপ্তিময়ী ব্যানার্জী

Shared by Arkarup Banerjee on June 26, 2021
ইন্দ্রাণী,তুমি চলে গেলে আমাদের থেকে অনেক দূরে।যোগমায়া মায়ের কাছে গেলে তিনি যখন জানতে চাইবেন--ইন্দ্রাণী কেমন আছে?কি উত্তর দেব আমি!সত্যি আমার আরও বন্ধু এবং পরিচিত অনেকেই আমার সাথে গুরুমার কাছে গেছে।মা সকলকে আশীর্বাদও করেছেন,কিন্তু প্রত্যকবার যখনই গেছি মা অত্যন্ত ভালবাসার সঙ্গে জানতে চেয়েকেন ইন্দ্রাণীর কথা।অপরদিকে তুমিও  কথা হলেই যোগমায়া মা কেমন আছেন জানতে চাইতে।একেই বলে যোগ।
আজ তোমার পারলৌকিক কাজ।আমি রয়েছি দিল্লিতে।আজকের দিনটাতেও উপস্থিত থাকতে পারলাম না।মনকে কিছুতেই বশে আনতে পারছি না।তোমার কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে তাও জানি।    
 অনেক কথা সামনে এসে ভীড় করছে।BED পড়তে গিয়ে কিভাবে তোমার সাথে আলাপ,তারপর আস্তে আস্তে বন্ধুত্ব,আত্মিক সম্পর্ক,অতি আপনজন হয়ে ওঠা পরস্পরের।সমস্ত রকম প্রয়োজন,সমস্যার সমাধান,মনের কথা আলোচনা সবকিছু চলত তোমার সাথে।কত অসময়ে তুমি আমার পাশে থেকেছ।যে কথা কাউকে বলতে পারি নি তা বলেছি তোমায় নিশ্চিন্ত মনে।কারণ আমি  তোমার ভিতরে হিতাকাঙ্ক্ষী এবং অপরের মঙ্গল কামনা করার মত হৃদয়ের সন্ধান পেয়েছিলাম।আজ বড্ড ফাঁকা লাগছে।শূন্যতা ঘিরে রয়েছে।তোমার সাথে কাটানো সমস্ত কথা আজকে জাবর কাটছে ভেতরে।
 তুমি,আলোকদা,অর্ক সেদিন জোর করে আমাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে না গেলে আজ হয়ত এ পৃথিবীতে আমি থাকতাম না।মাথার অপারেশন,তারপরেও আমি যাতে একাকীত্ব বোধ না করি আনন্দধারার সকলকে নিয়ে আমার পাশে থাকা --এ ঋণ শোধ হওয়ার নয় বন্ধু।
তুমি আমার হাতের রান্না খেতে ভালবাসতে।হঠাৎ করে ফোন আসত, তৃপ্তি স্কুল থেকে ফেরার পথে যাচ্ছি,আজ কি রান্না করেছ?কত আনন্দ করে খেতে।আমার মন আনন্দে ভরে যেত।
 আমার গান নিয়েও তোমার কত চিন্তা-ভাবনা।আমার CTVN এর প্রোগ্রাম,কবিপক্ষের লাইভ,You tube এর প্রত্যেকটি গান তুমি শুনতে আর মতামত জানাতে।গান নিয়ে যাতে আমি এগিয়ে যেতে পারি তার জন্য তোমার কত প্রচেষ্টা--এই সঙ্গেই মেসোমশাই এর আন্তরিক ভাবে চাওয়া---সব ,সব মনের মণিকোঠায় সযত্নে রক্ষিত আছে।তোমার সঙ্গে আমার যে গভীর ভালবাসার সম্পর্ক তা  পরিপূর্ণ ভাবে লেখা সম্ভব নয়।তুমি ছিলে আমার বোন-বন্ধু-অভিভাবক-আত্মার আত্মীয়।তোমাকে হারিয়ে আমার ভেতরের হাহাকারকে থামাতে পারছি না। না ,আমি তোমাকে পিছনে টানব না।তুমি এগিয়ে যাও বন্ধু।দেখা হবে ঠিক সময় মত।ওখানে গিয়ে তুমি তোমার উপযুক্ত জায়গায় বিরাজ কর।এখানের কাজ তোমার শেষ হয়েছে।অনেক যত্ন করে তা শেষ করেছ।আমাদের প্রত্যেকের অন্তরে তোমার উপস্থিতি,হাস্যোজ্জ্বল মুখচ্ছবি সদা জাগ্রত থাকবে।