ForeverMissed
This memorial website was created in memory of our loved one, Mahbubur Syed, 69 years old, born on April 5, 1952, and passed away on April 14, 2021. Please post any tributes below or memories or other thoughts under 'Stories'. Thank you for your support.

He attended intermediate at Momenshahi Cadet College (cadet #19 - 2nd batch - joining in 8th grade on January 9, 1965). His roommates describe him as always smiling and a humble and polite student who never got in trouble. Mahbub spent one year at BUET in the EE department, before departing in 1972 on scholarship for education in Budapest, Hungary. He received his Ph.D. from the Technical University of Budapest in 1980. He returned to Bangladesh in 1982, after 10 years in Hungary, and served on the faculty at BUET until 1992, including as the founding Chairman of the Computer Science and Engineer department. He supervised over 30 Masters' thesis while at BUET and received the Young Excellent Scientist award from UNESCO. He married Sharifun Nessa Syed in 1983 and they had one son, Tahin Syed, born in 1990.

In 1992, the family emigrated to Australia, where Mahbub served on the faculty of Monash University, where he continued research and supervised Ph.D. students. In 1999, the family again moved, to the United States. After 1 year as a Visiting Professor at North Dakota State University in Fargo, ND, he moved to Minnesota State University, in Mankato, MN. He served at the University for more than 20 years, including being elected Chair of the Department of Computer and Information Sciences twice, serving 4.5 years in that capacity since 2016.

His colleagues have all described him using the same words: smiling and simple. He was very close to his family in Bangladesh and was a loving husband and father. We will remember him forever. He is buried in the Garden of Eden Islamic Cemetery in Burnsville, MN (107A4). He is survived by his wife, who works as an Institutional Research Specialist at the same university, after completing several degrees with Mahbub's help, and son, who is a Data Scientist at Amazon after MIT graduate school.
Posted by Shahriar khurshed on July 13, 2021

ইউনিভার্সিটি নানা



নামটার মধ্যেই উনার প্রোফাইল এর একটা হালকা ফ্লেবার পাওয়া যায়। উনি ছোটবেলায় এই নামেই আমাদের কাছে পরিচিত ছিলেন। সম্পর্কএ নানা হলেও আমাদের কেমিস্ট্রি ছিল মামা ভাগিনার মতোই। চুপচাপ প্রকৃতির এই নানাকে দেখে বা তার কোড অফ কন্ডাক্ট দেখে বুঝার উপায় ছিলোনা যে উনি কতটা আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর। আমরা ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি অনুমান করার কিছুর সামর্থ পাই উনার কাছ থেকেই। আমার জন্মের (বোধোদয়ের) পর থেকেই উনি ছিলেন বুয়েট ক্যাম্পাস এ, যার দরুন উনার নাম টা এখনো ইউনিভার্সিটি নানা নামেই আমাদের স্মৃতিকে কে ট্রিগার করে।



অনেক স্মৃতি উনার সাথে জড়িয়ে আছে জীবনের প্রতিটি অংশে। একটা বড় সময় পার করেছেন তিনি প্রবাসে। কিন্তু আমাদের জীবন থেকে কখনো দূরে ছিলেন না। আমাদের পরিবারের বিশেষ সময় গুলোতে উনি কিভাবে যেন মহাদেশ মহাসাগর পাড়ি দিয়ে চলে আসতেন। পরিবারের প্রতিটি সদস্যের মাঝে উনি স্মৃতির দাগ কেটে গেছেন ব্যাকগ্রাউন্ড আর্টিস্ট হিসেবে। অত্যন্ত মিতব্যয়ী নানা কখনো পরিবারের একটি সদস্য কে তার উপহারের লিস্ট থেকে বাদ দেননি প্রতিবার দেশে আসার সময়। ভালবাসা ছিল সবার প্রতি। শুধু ভালবাসা নয় সম্পর্কের দায়ত্বিশীলতা সবার অবস্থা সম্পর্কে আপডেটএড থাকার কাজটিও উনি অজান্তেই করে গেছেন। আমার বিয়ের সময় প্রফেশনাল ক্যামেরামান রাখা হয়েছিল ভিডিও ছবি ধরণের জন্য। বাট নাথিং বিটস মাই নানাস ভিডিওগ্রাফি। এখনো অনেক মুহূর্ত আমরা মিস করিনা উনার নিরব প্রাইভেট ক্যামেরার গুনে। প্রতিটি ঘটনার ডিটেইল এ চলে যেতেন উনি। আর প্রতিটা আনুষ্ঠানিকতায় উনি আমাদের চাইতে প্রোএক্টিভে ছিলেন কোনো সঙ্কোচ ছাড়াই।



মিতব্যায়ীতা বা সেন্স অফ বেস্ট উটিলাইজেশন অফ রিসৌর্স এর এক অনন্য উদাহরণ ছিলেন তিনি। তার একটা ছোট ঘটনা বলি। সেটা ছিল তাহীন এর জন্মদিন (দ্বিতীয় কি তৃতীয় হবে), অনেক বড় একটা আয়োজন ছিল। আমরাও ব্যাস্ত হয়েছিলাম বিভিন্ন ইভেন্ট এ। বরাবর এর মতো প্রফেশনাল ভিডিওম্যান ছিল আমাদের বড় অনুষ্ঠানের একটা অংশ। সাধারণত বিয়ের প্রোগ্রাম ছাড়া তখন ভিডিওম্যান ভাড়া করা হতোনা। তাই কনটেন্ট হিসেবে জন্মদিনের ভিডিও ছিল শর্ট টাইম এর। বাট তিন ঘন্টার ভিডিও' ক্যাসেটে এ এক ঘন্টার রেকর্ডিং বাকিটা খালি, ইয়ে তো বহত নাঈনসাফী। সাইলেন্টলি এর সল্যুশন ছিল নানার কাছে। প্রায় প্রতি উইকেন্ড এই আমরা উনাকে পেতাম আমাদের কারো না কারো বাসায় উইথ ভিডিও কাভারেজ। উনি আসতেন ভিসিট এ আর পিছনে থাকতো সেই জন্মদিনের ভিডিওম্যান, অনেকটা সেলেব্রেটি স্টাইল এ। এই দুই ঘন্টা রিলের শুটিং চলে প্রায় একবছর যাবৎ। আমরা খুব এনজয় করেছিলাম কিন্তু ভিডিওম্যান এর হালুয়া টাইট হয়ে ছিল। এরকম অনেক কমেডি ঘটনার জনক তিনি। অতিমেধাবী একজন বুয়েট এর প্রফেসর এর রেগুলার গুরুগম্ভীর কোনো ভাব তার মধ্যে ছিলোনা রাদআর হি ওয়াস এ কমেডি টাইপ।



কম্পিউটার নামের যে একটা জিনিস আছে এটা আমার উনার বদৌলতেই জানা। প্রথিমিক জ্ঞানটাও পাই নানার কাছ থেকে। সে সময় আমার সমসাময়িক বা সহপাঠী রা এ বেপারে কিছু জানতই না যেখানে আমি সি প্রম্পট কমান্ড দেয়া থেকে শুরু করে উইন্ডোস, ম্যাকিন্টোস পর্যন্ত রপ্ত করে ফেলি উনার মাধ্যমেই। জীবনে প্রথম যখন ইন্টারনেট এর দেখা পাই উনি ছিলেন তখন অস্ট্রেলিয়া তে মোনাশ ইউনিভার্সিটি তে। আমার ইমেইল চালাচালির একমাত্র রেসিপিয়েন্ট ছিলেন তিনি। অনেক তথ্য তখন আদান প্রদান এর অভ্ভাস গড়ে উঠে ইমেইল এর মাদ্ধমে যদিও এখনকার তুলনায় হাজার গুন স্লো ছিল তখনকার নেট স্পিড। উনার সাথে কথোপকথন গুলা ছিল খুবই স্বাভাবিক কিন্তু এর মাঝেই প্রযুক্তিগত ধারণাগুলো নিজের অজান্তেই মস্তিষ্কের অন্তর্গত হয়ে যেত।



আমাদের পরিবারে স্কলার এর অভাব নাই ,কিন্তু উনার স্ট্রোরি আমরা শুনতাম ছোটবেলা থেকেই অনেকটা পাঠবইয়ের মতো করেই। নানার স্কুল জীবন, ক্যাডেট কলেজের অধ্যাবসায় , এসএসসি এইচ এস সি তে মেধাতালিকায় স্থান করে নেয়া বুদাপেস্ট এর স্কলারশিপ শেষ করে সেখান থেকে পালিয়ে দেশে ফেরা সবই রূপকথার গল্পের মতো করে শুনতাম। নিঃসন্দেহে তিনি আমাদের কাছে স্কলার এর রোল মডেল ছিলেন। জীবনে পড়াশুনা করলে কি পাবো তা উনা কে দিয়েই অনুমান করতে পারতাম। উনার ধরে কাছেও যেতে পারি নাই কিন্তু এটা ঠিক, হি ওয়াস ইনস্পিরেশন বিহাইন্ড মন দিয়ে পড়াশুনা। আমাদের কে একটা স্ট্যান্ডার্ড সেট করে দিয়েছিলেন তিনি। পাশাপাশি জীবন যে কত আনন্দের কত একটিভিটি তে পরিপূর্ণ সেই জ্ঞান ও দিয়েছেন তিনি। বাংলা রচনাতে যদি বলা হয় তোমার জীবনের আদর্শ তাহলে পরিবারের বাইরে যাবার প্রয়োজন হয় না। ইনফ্যাক্ট জীবনের লক্ষ হিসেবে তখন আমার মাথায় শিক্ষকতা টাই চোখের সামনে আসতো (পরে অবশ্য অনেক ভ্যারিয়েন্ট ছিল ). আমার পোস্টাল স্ট্যাম্প জমানোর একটা স্ক্র্যাপবুক ছিল ছোটবেলায় , যেটাতে বুদাপেস্ট/হাঙ্গেরি র স্ট্যাম্প ছিল শ খানেক এর উপরে। এই স্ট্যাম্প গুলো ছিল সবই আমার মায়ের কাছ থেকে পাওয়া। নানা বিদেশে থাকা অবস্থায় দেশের সাথে কত কানেক্টেড ছিলেন ইটা তার ই প্রমান যদিও কোনো প্রযুক্তি তখন ছিলোনা।



আসলে এতদিন ভাবিনি কতকিছু পেয়েছি নানার কাছ থেকে। আজকে বাংলা টাইপ করার সময় ও উনার অবদান এর কথা মনে পরে গেল। এর পেছনের কারিগরকে এখনো কেউ জানেনা। বাংলা টাইপ এর ফন্ট উনিই প্রথম ডিজাইন করেন যা পরে এক বিশেষ ব্যাক্তির সাফল্য হিসেবে চালিয়ে দেয়া হয়েছিল। উনি উন্নত বিশ্বে অনেক স্বীকৃতি পেয়েছেন তার অবদানের জন্য কিন্তু আমরা জাতি হিসেবে আসলেই লজ্জিত এই কিংবদন্তি কে সঠিক মূল্যায়ন করতে পারিনি । যাই হোক উনার জীবনের প্রাপ্তির কাছে এগুলো তুচ্ছ বিষয়। আফটার অল হি ওয়াস আ কম্পলিট ম্যান।   



নানার ঘটনাবহুল জীবন নিয়ে লিখতে গেলে শেষ হবেনা। উনার চলে যাওয়াটা এখনো আমার কাছে স্বপ্নের মতো লাগে। তিনি এখনো আছেন আমাদের মাঝে প্রতিটা সম্পর্কে প্রতিটা অবদানে। সর্বশক্তিমান উনাকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করুক।

শাহরিয়ার খোরশেদ
Posted by Rajeev B on July 6, 2021
Mahbub was a cherished friend and colleague. His commitment to students was exemplary and unflinching. He was a strong advocate of the CIS department and was dedicated to helping students and faculty. I will always remember his smile and kindness. With a heavy heart, I offer my condolences to his family and friends.
Posted by Angappa Gunasekaran on July 2, 2021
I was shocked and very sad when I heard the passing away of Syed from his only son, Tahin. In fact, I talked to him a few times prior to one month his passing away that too when he was not keeping well. Despite his inability to talk, he said, "let us talk, but I cannot speak much and will listen to you". He was even wishing me in my job search despite his poor health. I consider Syed as my loving brother and great friend. In 1995, we moved to Australia as immigrants, Syed and Bhabi were the first ones to invite us to their home for dinner and they are truly generous and humble couple I have ever come across. I still remember the day when I visited Syed and his family as they always make so many items for lunch and dinner and repeated the same when I visited him in Mankato. Syed has visited us when were in London and we were so happy to spend time with him. After we moved to the US, I have been constantly in touch with him. We used to talk hours over phone and he listens to us about our problems, but not the other way when he was in North Dakota and then in Mankato. He has encouraged me to apply for a position at MSU Mankato in 2012 and helped me in many ways without expecting any return. This is all about the generosity of Syed and Bhabi is the same. He is always pleasant, calm, happy and helpful. I still remember visiting Syed and Bhabi in Mankato. They are so generous and great human beings. We have worked on research projects, and edited a special issue and book on multimedia and it was a popular topic in those days. Syed is always with us and his memories stay forever. We used to talk about his summer gardening including growing vegetables and so on. It is a great loss for me and for my family as we miss a great friend and human being. My heartfelt condolences go to my Bhabi and Tahin. Syed is always with us and he is around seeing us all the time from heaven. I never forgot your help and kindness, Syed. You are always in my heart, Syed. I am unbale to accept he is not with us anymore. Our thoughts and prayers are with Bhabi and Tahin. Rest is Peace, Syed.
Posted by Emdad Ahmed on May 19, 2021
In Memory of Professor Dr. Syed Mahbubur Rahman
-----------------------------------------------
August 10, 1988. First day of class at BUET, CSE department. We the first 30 students being introduced by
departmental faculty (all sir): Towfiq, Zunaid, Tahshin Asker, Kamrul Morshed, Masroor Ali headed by Mahbub sir.
We (BUET CSE87) were the parallel first batch of CSE ever in Bangladesh. I was about to hesitate to study CSE,
as questioned then by many: lack of faculty, textbook, lab facility etc. etc. But the very first welcome speech
by Mahbub sir made us confident that everything will be fine. Some one asked him how much we will be learning,
whereas industry expects more etc. etc. Sir convinced us that whatever is covered in classes, just try to understand
and instill ourself and that will be enough. What I learned from him (1988-1992), still today I repeat the same every
new semester to all new students (BTW I have taught more than 4000 CS students in Bangladesh and North America)
Sir used to take our Digital Logic (textbook of Ramesh S. Gaonkar) Automata design class. I still remember his
topics of Mealy vs Moore machine concepts, flip-flop, NAND-NAND realization, processing handy scanner image processing
(msp file) etc. One of his greatest quality of teaching was that he could make us understand difficult concept in plain
simple language and example.
I remember once in Exam Hall, there was some error in questions, sir used to walk in each students' and personally corrected
those.
During 1989, there was a "Computer Day". All the major computer vendors in Dhaka attended the day long stall, event and ceremony.
Sir had huge networking and connection. I remember sir used to organize a number of seminars and those who visited from abroad, they
were given chance to hold seminar in the CSE department as well as in the Gallery of Civil Engineering building.
Because of Mahbub sir, we had a very enriched/huge curriculum consist of 8 semesters of about 192 credits. Most of the courses
had separate lab. We learnt a lot of Electrical Engineering courses, plus a lot of Mathematics in addition to core CSE courses.
All the junior faculty of CSE (Chowdhury Mofizur Rahman, Abul Kashem Mia, Hasanuzzaman and many more) were fan of Mahbub sir.
1989-90, sir's only son born, Marsoor sir informed us all. His name is Tahsin, a super genius, deans list merit scholar,
finished undergraduate in less than three years.
Sir was promoted to be the youngest Full Professor, then he moved to Monash University Australia during 1992, served there till 1999
for 7 years. I was NOT in direct contact with him, but got all the update from my dear friend Manzur Morshed
(sir left Monash and Manzur entered!)
During 1999-2001 I was in Australia, but somehow missed to see sir.
During 2002, I had the opportunity to listen to Mahbub sir's keynote speech @ ICCIT. There were more than 400
audiences, pin drop silent in Bangladesh China friendship conference center. Sir was delivering e-commerce development
contemporary topics. Some one asked regarding m-commerce. The term was not familiar to me. In response to the question,
sir explained a lot, and at the very last told the meaning of m-commerce for mobile commerce. That being said, I have never
seen sir to be annoyed with any students, he was always very calm and quiet. He does a lot of work, but in his face no sign of
tiredness.
I was able to reconnect Mahbub sir during 2013 somehow and till 2021 I was heavily connected. Please be patience for for my
subsequent para of writings, the memory of these past 8 years.
During 2012, I was CS faculty at Cheyney University of Pennsylvania. I needed letter of refence (LOR), sir gladly provided
me one. Since then sir was my personal referee for job search, ACM Senior Membership, U.S Green Card application and many more.
During 2014, I joined Winona State University, a member of MNSCU. Mahbub sir's University at Mankato was about 3 and half hours of
driving from Winona. One day IO visited sir's home in Mankato. Despite sir and Bhabi's tight work schedule, they cooked so many items
that my co-traveller (named Bari) was astonished. Sir shown me his office room, department, gym and other notable places of MNSU.
I noticed during the showing, we came across a number of students, almost all of them greeted sir very well and sir was very friendly
to them. I have worked in more than 10 Universities, such a Student-Teacher relationship as maintained by sir amazed me. I think
I must be very friendly to fellow students!
From 2014 till March 2021, I can confidently say that I was sir's top favourite. It has never been the case that I called
him and could not reach. Suppose sir is watering garden, bhabi received the phone, right away sir continue for hours.
Even if he was super busy in departmental meeting, coould let me know that he will call me back by such and such time.
I don't think I will have any more Professor in North America who will give me so much valuable time. Sir was a very patient
listener, and at the end could suggest the very best options.
2019, First North American BUET CSE Get Together, sir happily accepted to be the chief guest. If Kaykobad sir did
not point to us, it could never happen. Sir was very happy, below I am copying what sir had written in response to my
Vote of Thanks.
"""
Dear All,
Thank you all for providing me and my wife such a great and one of the very rare opportunity to meet all of you after a long time.
We would also like to provide our thanks to Emdad, Salahuddin, Ujjal and others for their lead role in organizing the first CSE
reunion and making it such an inviting event. Please accept our heartfelt greetings.
I found this event as a great and very successful one. I am certain that, with this first event you all have
planted a seed for future much bigger events that will provide fruits for our future generations that will benefit all of us.
As indicated during the event, our invitation to visit us will remain open to all of you and we will be very happy to see
you visit us in Mankato at your convenient time.
Please be in touch.
With best wishes.
Mahbub
**************************************
Dr. Mahbubur Syed
Professor and Department Chair
Department of Computer Information Science
Minnesota State University Mankato
273 Wissink Hall
Ph: (507) 389 3226
"""
2020 March, one day sir called me to know how we are doing. Then during August, Munir arranged Zoom meeting with all CSE87
friends for non-stop 4 hours live discussions.
2020 December, thanks to Dr. Latifur Khan bhai to arrange a session with CSE Alumni (a total of 55 showed up, sir was there
as well).
2021 March. One day I called sir for some reason. By the by sir wanted to know the phone number of Sabina (EEE) and Kajol Bhai.
I am NOT sure whether they could talk with sir or not. The lesson I learnt, if some one seek you, no matter how busy you are,
just say hi. Since then 40 days past, I was NOT in touch with Mahbub sir and whether there was any health related issues with him.
2021 April 14, got to know during Iftar from Munir that sir is at ICU , then while praying Taraweeh in congregation,
seen the news from Salem’s post. Right away requested the Imam Hajiz-e-Quran to pray for the departed soul of Mahbub sir.
This is an unique experience for me to get to know some one very near and dear and who no more with us in the Holy month of Ramadan.
As for myself, I lost one of my personal referee for the past 7 years in job searching, U.S. green card application and many more.
During 2019, first North American BUET CSE get together, sir was the chief guest and he was very happy that we have honored him such a way.
May Allah grant Mahbub sir the highest place in Jannatul Ferdous —Ameen
PS: I have read all the emotional postings from the followings: Mukul bhai, Azad Khan, Latif Bhai, Zulker Bhai, Dina Apa,
Masud (CSE89) and many others.
Emdad Ahmed
BUET CSE87
Friday, April 16, 2021
USA
Posted by tara syed on May 13, 2021
Mahbub truly embodied the words non nobis solum nati sumus: Not to ourselves alone are we born. He was committed to serving and supporting his students, colleagues, university, and community. He was modest and remarkably cheerful in the face of challenges, and persistent in his pursuit of the greater good. I always valued his perspective and benefited from his counsel. May he rest in peace. 


Stephen J. Stoynoff, Ph.D.
Professor of English and
Distinguished Faculty Scholar Emeritus
Minnesota State University, Mankato

Posted by Marlene Barnes on May 11, 2021
Back in 2006 Muhbubur called my real estate office seeking a home to purchase, after many phone calls he settled on a house close to MSU. He was a joy to work with, very friendly and curious about the real estate market, always speculating. Sorry to hear that he has passed.
Posted by charles waters on May 7, 2021
It was an honor for me to know Mahbub. His genuine devotion to ensuring the success of students, colleagues, friends, and the various universities at which he worked is 2nd to none. Behind his many successes in life was an extraordinary (unparalleled) amount of hard work. Basically, Mahbub was a fixture on the 2nd floor of the Wissink building at MSU. No matter what time of the day (most days close to midnight), day of the week (including Saturdays and Sundays), the weather (including subzero temperatures) one could find Mahbub hard at work. I can remember him climbing the stairs to the 2nd floor of Wissink with his glasses frosted over, his face pink, and of course, a big smile on his face. He laughed heartily at a good joke. I never heard him say a negative work about anyone. He was always willing to interrupt his work for a good chat.
I got to know a personal side of Mahbub when I watched a video of an extended family celebration that took place in Bangladesh. There were lots of singing, pageantry and people adorned in beautifully colored clothing. What I did not expect is that Mahbub was often the center of attention singing many solo songs. The happiness expressed in his face was impossible to overlook. It was clear he was loved by all and that he loved everyone.
I regret not getting to know Mahbub better. He was an honorable and honest man. He was a man in the truest sense of the word.
Charles Waters
Posted by MOHAMMAD PATWARY on May 4, 2021
I met Dr. Mahbubur Syed first time at Minnesota State University, Mankato in 2014 where I went for my graduate studies. I had a lot of good memories with him. He was a simple, kind, and generous person. It is difficult to bear his sudden demise at this age. May Almighty rest him in eternal peace.
Posted by Mezbah Rahman on May 4, 2021
I first met Dr. Mahbubur Syed in December 1999 when he came to join at Minnesota State University. We basically interviewed for our respective jobs at the same time and he joined a semester later. During his moving period, weather was bad, he went to ditch and never liked driving during Winter months in Minnesota.

We became very good friends and he became a mentor of mine. He would spend hours helping me or any other individual sought help from him. He was very kind person. He was very hard working and sincerest person I ever known.

He used to joke a lot in our social gatherings. He was always with smiling face even during our disagreements. Most of the time his disagreements were not real as he loved to argue.

We will miss him very much. We still can't believe that he is no longer with us.

We wish his peace in his grave and in his afterlife.
Posted by Tania Rahman on May 4, 2021
Mahbubur Rahman Syed was very simple, friendly, and nice person. He was not only a friend, he was as like as our elder brother.
Posted by Michael Wells on May 3, 2021
I worked with Mahbub for over 20 years in the CIS Department. He was my colleague and friend. I still cannot believe he is gone. I'll miss is clever sense of humor and advocacy for our department. My thoughts and prayers go out to his family, especially his wife and son. Rest in peace Mahbub.
Posted by J V on April 29, 2021
Mahbub's childhood roommates describe him "as always smiling and a humble and polite student who never got in trouble." As an adult, he was as smiling, humble, and polite as ever, but as a department chair, he was willing to get into a little trouble if it meant defending his students, his colleagues, or his department. He was a kind man, an inspiring teacher, and a good and dependable colleague. We will miss him.
Posted by Anne Dahlman on April 28, 2021
Mahbub was a dear colleague at MSU. Mahbub was one of the hardest working professors on campus. He was a strong advocate for students and was always ready to work hard with others to make the campus a better learning environment. I valued Mahbub's honesty, brilliance, and camaraderie. He was a kind man and always took the time to stop and connect with you. I was inspired by the way Mahbub talked about his family. My heart is broken - we've lost a special one.
Posted by Brenda Flannery on April 27, 2021
When I think of Mahbub, it is his wide smile and his passion for his work that comes immediately to mind. I began working with him around 2007 to develop curriculum and last worked with him to develop the innovative and interdisciplinary gaming program. He was creative, innovative and always focused on a great educational experience for students. He will be deeply missed but his legacy will be long. My sympathies to his family, especially his wife and son.
Posted by Brian Martensen on April 27, 2021
I worked with Mahbub for many years, closely during his time as chair of his department, on many wonderful projects that supported our faculty and students. 

But what I remember most in my mind when I think of Mahbub is his wonderful smile and laughter. Even in the most challenging of situations, he always could add a levity, often paired with fabulous insight and wisdom.
Posted by Christophe Veltsos on April 27, 2021
Professor Mahbub Syed was an inspiration to many. He was a force for good, shaping students, fellow faculty colleagues, and yes, even administrators.

I will forever think of him as a mix of the elements of water and rock. Like a rock, he was immovable in his focus on serving students. Like water, he cared for and nourished the CIS department, its students, and its faculty.
Posted by Prof Dr Muhibul Haque Bhu... on April 27, 2021
মাহ্‌বুব স্যারের উপর আমার একটি ফেসবুক পোস্ট শেয়ার করছি। আমি কিছু ছবিও আপলোড করেছি।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. সৈয়দ মাহবুবুর রহমান আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
স্যার গত ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ICCIT2019-এ একজন আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে এসেছিলেন। অবশ্য স্যার এই কনফারেন্সের রিসার্চ ইন্টিগ্রিটি কমিটির চেয়ার ছিলেন। আমি স্যারকে এর আগে কখনোই দেখি নাই। সেই কনফারেন্সেই প্রথম দেখা। সেই প্রথম দেখাতেই স্যারের কথা আর ব্যবহারে আমি একেবারে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। বিভিন্ন বিষয়ে অনেক গল্প করলেন। যাওয়ার আগে আমাকে আর আমার কলিগদের জন্য উনার বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম (মিনোসোটা স্টেট ইউনিভার্সিটি) লিখা অনেকগুলো কলম উপহার দিয়ে গিয়েছিলেন। আর বলেছিলেন, তোমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক আগে একবার এসে আমি একটি সেমিনারে বক্তব্য দিয়েছিলাম। সেটা ইউটিউবে খুঁজে দেখতো পাও কি-না, পেলে আমাকে লিঙ্কটি পাঠিয়ে দিবা আর কনফারেন্সের সকল ছবি গুগল ড্রাইভে দিয়ে সেটারও লিঙ্ক পাঠিয়ে দিবা। আমি ইউটিউব লিঙ্কটি পাঠিয়ে দেয়ার পরই স্যার আমাকে একটি রিপ্লাই ইমেইল দিলেন যেটাতে আমি খুব অভিভুত হয়ে গিয়েছিলাম। সেটা নিচে দিলাম আর সেই সাথে স্যারে কিছু ছবি। আল্লাহ্‌ স্যারকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসীব করুন।
My email:
=============
Dear Sir,
Assalamu alaikum.
I found your video at the following link:
https://www.youtube.com/watch?v=tk0zQs_Kl2Y
Best regards,


Reply of Mahbub Sir:
==================
Dear Dr. Bhuyan,
Thank you for sending me the link. I must recognize your expertise in searching.
Thank you for your hospitality during ICCIT 2019 conference. It was very well organized and you deserve the full credit as the organizing chair. I have witnessed firsthand your availability everywhere to manage the conference to run very smoothly and on time. Congratulations on your success. You must be very tired by now. You deserve few days of complete rest.
However, there is the last test – the picture test J. Please let us know when and how we can get access to the conference pictures (full resolution).
Thank you again.

Best regards.
Mahbub
Posted by Shaheen Ahmed on April 26, 2021
Mahbubur Rahman Syed – my mentor and friend since I joined at Minnesota State University Mankato in 2015. After joining at MSU, anytime I have any question on anything, he was the person I used to go. He always took time to answer with details. He always gave me the right answer even though I did not ask the right questions. As always, he has his smile with him all the time. He never said busy help me out with anything. I will miss him forever. I know that he is smiling now up there! Thank You - Mahbubur Rahman Syed. I will never be able to repay you what you have done for me. With your guidance – I am getting success everyday now and will be in the future. You are never gone from me. You are always in my heart!

Your friend,
Shaheen Ahmed
Posted by Mahmuda Naznin on April 25, 2021
Some days after we started our class in CSE, we found something went wrong and we went to a protest against some injustice happened to sir. We relalized and found that sir was very popular among our senior batches. We saw sir always as a very calm and ever smiling face. We found that our teachers used to like him very much. In 2001, I went to North Dakota State University. Oneday, my PhD adviser was praising that there was a talented faculty from your department CSE, BUET. Then I found, the person was Mahbub sir. And interestingly I found a big group of BUET students and some of our alumni there. I felt- wherever sir worked, sir created some impact and opportunities for the students. It is easy to travel a known path. But taking initiative for unknown path- building a new department was not easy. We are ever grateful to sir. May Allah give him Jannatul Firdous.
Posted by Mohammad Shahab Uddin on April 23, 2021
With our broken hearts (me and my wife Selima) I am writing this tribute note for Syed Mahbubur Rahman.
We had long association with his family. It started from BUET campus in 80's. When both of us were teaching. Afterwards, I left Bangladesh with my family to teach at National University of Singapore in 1986.
In later year, Mahbub and Tara Bhabi stayed in our house in Singapore for some time for medical treatment at National University Hospital. After they left for Australia and North America, we didn't have contact. But we knew his activities through my friend Dr. Alamghir Mohiuddin Khan (Mahbub's brother-in-law). Just in last month, while me and my wife are visiting our son and his family in New York, we communicated over telephone with Mahbub and Tara Bhabi several times. Last one in two weeks back.
Then we got the shocking news in only week. It was totally unbelievable.
We pray to Allah SWT to grant him Jannatul Firdous and give his family mental strength to bear the loss and move forward in this earthly life. Ameen.
Shahabuddin/Selima
Posted by Jerry Oman on April 23, 2021
I got to know Mahbub first in my role at the university and by serving with him on various committees. I got to know him more so when I became a colleague of Sharifun in Institutional Research. I knew him as someone who was passionate about helping students and others and more importantly as a loving and caring father, husband and friend. He will be sorely missed by all that knew him.
Posted by Manzur Murshed on April 22, 2021
অনেকের স্মৃতিচারণে এসেছে, আমরা যারাই স্যার এর নিবিড় সান্নিধ্য পেয়েছি তাদের অনেকেই ভেবেছি, আমিই স্যার এর সবচেয়ে প্রিয়পাত্র। এমনটি কেবল মাত্র সকলের প্রতি পক্ষপাতশূন্য মনোসংযোগ, কোমল হৃদয়, নির্মোহ জীবনাচার আর নিঃস্বার্থ পরোপকারী মনের মানুষের পক্ষেই অর্জন করা সম্ভব। নিশ্চয়ই মহান সৃষ্টিকর্তা স্যারকে তাঁর প্রিয়পাত্রদের দলের অন্তরভুক্ত করবেন, এই আমাদের প্রার্থনা।

Leave a Tribute

 
Recent Tributes
Posted by Shahriar khurshed on July 13, 2021

ইউনিভার্সিটি নানা



নামটার মধ্যেই উনার প্রোফাইল এর একটা হালকা ফ্লেবার পাওয়া যায়। উনি ছোটবেলায় এই নামেই আমাদের কাছে পরিচিত ছিলেন। সম্পর্কএ নানা হলেও আমাদের কেমিস্ট্রি ছিল মামা ভাগিনার মতোই। চুপচাপ প্রকৃতির এই নানাকে দেখে বা তার কোড অফ কন্ডাক্ট দেখে বুঝার উপায় ছিলোনা যে উনি কতটা আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর। আমরা ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি অনুমান করার কিছুর সামর্থ পাই উনার কাছ থেকেই। আমার জন্মের (বোধোদয়ের) পর থেকেই উনি ছিলেন বুয়েট ক্যাম্পাস এ, যার দরুন উনার নাম টা এখনো ইউনিভার্সিটি নানা নামেই আমাদের স্মৃতিকে কে ট্রিগার করে।



অনেক স্মৃতি উনার সাথে জড়িয়ে আছে জীবনের প্রতিটি অংশে। একটা বড় সময় পার করেছেন তিনি প্রবাসে। কিন্তু আমাদের জীবন থেকে কখনো দূরে ছিলেন না। আমাদের পরিবারের বিশেষ সময় গুলোতে উনি কিভাবে যেন মহাদেশ মহাসাগর পাড়ি দিয়ে চলে আসতেন। পরিবারের প্রতিটি সদস্যের মাঝে উনি স্মৃতির দাগ কেটে গেছেন ব্যাকগ্রাউন্ড আর্টিস্ট হিসেবে। অত্যন্ত মিতব্যয়ী নানা কখনো পরিবারের একটি সদস্য কে তার উপহারের লিস্ট থেকে বাদ দেননি প্রতিবার দেশে আসার সময়। ভালবাসা ছিল সবার প্রতি। শুধু ভালবাসা নয় সম্পর্কের দায়ত্বিশীলতা সবার অবস্থা সম্পর্কে আপডেটএড থাকার কাজটিও উনি অজান্তেই করে গেছেন। আমার বিয়ের সময় প্রফেশনাল ক্যামেরামান রাখা হয়েছিল ভিডিও ছবি ধরণের জন্য। বাট নাথিং বিটস মাই নানাস ভিডিওগ্রাফি। এখনো অনেক মুহূর্ত আমরা মিস করিনা উনার নিরব প্রাইভেট ক্যামেরার গুনে। প্রতিটি ঘটনার ডিটেইল এ চলে যেতেন উনি। আর প্রতিটা আনুষ্ঠানিকতায় উনি আমাদের চাইতে প্রোএক্টিভে ছিলেন কোনো সঙ্কোচ ছাড়াই।



মিতব্যায়ীতা বা সেন্স অফ বেস্ট উটিলাইজেশন অফ রিসৌর্স এর এক অনন্য উদাহরণ ছিলেন তিনি। তার একটা ছোট ঘটনা বলি। সেটা ছিল তাহীন এর জন্মদিন (দ্বিতীয় কি তৃতীয় হবে), অনেক বড় একটা আয়োজন ছিল। আমরাও ব্যাস্ত হয়েছিলাম বিভিন্ন ইভেন্ট এ। বরাবর এর মতো প্রফেশনাল ভিডিওম্যান ছিল আমাদের বড় অনুষ্ঠানের একটা অংশ। সাধারণত বিয়ের প্রোগ্রাম ছাড়া তখন ভিডিওম্যান ভাড়া করা হতোনা। তাই কনটেন্ট হিসেবে জন্মদিনের ভিডিও ছিল শর্ট টাইম এর। বাট তিন ঘন্টার ভিডিও' ক্যাসেটে এ এক ঘন্টার রেকর্ডিং বাকিটা খালি, ইয়ে তো বহত নাঈনসাফী। সাইলেন্টলি এর সল্যুশন ছিল নানার কাছে। প্রায় প্রতি উইকেন্ড এই আমরা উনাকে পেতাম আমাদের কারো না কারো বাসায় উইথ ভিডিও কাভারেজ। উনি আসতেন ভিসিট এ আর পিছনে থাকতো সেই জন্মদিনের ভিডিওম্যান, অনেকটা সেলেব্রেটি স্টাইল এ। এই দুই ঘন্টা রিলের শুটিং চলে প্রায় একবছর যাবৎ। আমরা খুব এনজয় করেছিলাম কিন্তু ভিডিওম্যান এর হালুয়া টাইট হয়ে ছিল। এরকম অনেক কমেডি ঘটনার জনক তিনি। অতিমেধাবী একজন বুয়েট এর প্রফেসর এর রেগুলার গুরুগম্ভীর কোনো ভাব তার মধ্যে ছিলোনা রাদআর হি ওয়াস এ কমেডি টাইপ।



কম্পিউটার নামের যে একটা জিনিস আছে এটা আমার উনার বদৌলতেই জানা। প্রথিমিক জ্ঞানটাও পাই নানার কাছ থেকে। সে সময় আমার সমসাময়িক বা সহপাঠী রা এ বেপারে কিছু জানতই না যেখানে আমি সি প্রম্পট কমান্ড দেয়া থেকে শুরু করে উইন্ডোস, ম্যাকিন্টোস পর্যন্ত রপ্ত করে ফেলি উনার মাধ্যমেই। জীবনে প্রথম যখন ইন্টারনেট এর দেখা পাই উনি ছিলেন তখন অস্ট্রেলিয়া তে মোনাশ ইউনিভার্সিটি তে। আমার ইমেইল চালাচালির একমাত্র রেসিপিয়েন্ট ছিলেন তিনি। অনেক তথ্য তখন আদান প্রদান এর অভ্ভাস গড়ে উঠে ইমেইল এর মাদ্ধমে যদিও এখনকার তুলনায় হাজার গুন স্লো ছিল তখনকার নেট স্পিড। উনার সাথে কথোপকথন গুলা ছিল খুবই স্বাভাবিক কিন্তু এর মাঝেই প্রযুক্তিগত ধারণাগুলো নিজের অজান্তেই মস্তিষ্কের অন্তর্গত হয়ে যেত।



আমাদের পরিবারে স্কলার এর অভাব নাই ,কিন্তু উনার স্ট্রোরি আমরা শুনতাম ছোটবেলা থেকেই অনেকটা পাঠবইয়ের মতো করেই। নানার স্কুল জীবন, ক্যাডেট কলেজের অধ্যাবসায় , এসএসসি এইচ এস সি তে মেধাতালিকায় স্থান করে নেয়া বুদাপেস্ট এর স্কলারশিপ শেষ করে সেখান থেকে পালিয়ে দেশে ফেরা সবই রূপকথার গল্পের মতো করে শুনতাম। নিঃসন্দেহে তিনি আমাদের কাছে স্কলার এর রোল মডেল ছিলেন। জীবনে পড়াশুনা করলে কি পাবো তা উনা কে দিয়েই অনুমান করতে পারতাম। উনার ধরে কাছেও যেতে পারি নাই কিন্তু এটা ঠিক, হি ওয়াস ইনস্পিরেশন বিহাইন্ড মন দিয়ে পড়াশুনা। আমাদের কে একটা স্ট্যান্ডার্ড সেট করে দিয়েছিলেন তিনি। পাশাপাশি জীবন যে কত আনন্দের কত একটিভিটি তে পরিপূর্ণ সেই জ্ঞান ও দিয়েছেন তিনি। বাংলা রচনাতে যদি বলা হয় তোমার জীবনের আদর্শ তাহলে পরিবারের বাইরে যাবার প্রয়োজন হয় না। ইনফ্যাক্ট জীবনের লক্ষ হিসেবে তখন আমার মাথায় শিক্ষকতা টাই চোখের সামনে আসতো (পরে অবশ্য অনেক ভ্যারিয়েন্ট ছিল ). আমার পোস্টাল স্ট্যাম্প জমানোর একটা স্ক্র্যাপবুক ছিল ছোটবেলায় , যেটাতে বুদাপেস্ট/হাঙ্গেরি র স্ট্যাম্প ছিল শ খানেক এর উপরে। এই স্ট্যাম্প গুলো ছিল সবই আমার মায়ের কাছ থেকে পাওয়া। নানা বিদেশে থাকা অবস্থায় দেশের সাথে কত কানেক্টেড ছিলেন ইটা তার ই প্রমান যদিও কোনো প্রযুক্তি তখন ছিলোনা।



আসলে এতদিন ভাবিনি কতকিছু পেয়েছি নানার কাছ থেকে। আজকে বাংলা টাইপ করার সময় ও উনার অবদান এর কথা মনে পরে গেল। এর পেছনের কারিগরকে এখনো কেউ জানেনা। বাংলা টাইপ এর ফন্ট উনিই প্রথম ডিজাইন করেন যা পরে এক বিশেষ ব্যাক্তির সাফল্য হিসেবে চালিয়ে দেয়া হয়েছিল। উনি উন্নত বিশ্বে অনেক স্বীকৃতি পেয়েছেন তার অবদানের জন্য কিন্তু আমরা জাতি হিসেবে আসলেই লজ্জিত এই কিংবদন্তি কে সঠিক মূল্যায়ন করতে পারিনি । যাই হোক উনার জীবনের প্রাপ্তির কাছে এগুলো তুচ্ছ বিষয়। আফটার অল হি ওয়াস আ কম্পলিট ম্যান।   



নানার ঘটনাবহুল জীবন নিয়ে লিখতে গেলে শেষ হবেনা। উনার চলে যাওয়াটা এখনো আমার কাছে স্বপ্নের মতো লাগে। তিনি এখনো আছেন আমাদের মাঝে প্রতিটা সম্পর্কে প্রতিটা অবদানে। সর্বশক্তিমান উনাকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করুক।

শাহরিয়ার খোরশেদ
Posted by Rajeev B on July 6, 2021
Mahbub was a cherished friend and colleague. His commitment to students was exemplary and unflinching. He was a strong advocate of the CIS department and was dedicated to helping students and faculty. I will always remember his smile and kindness. With a heavy heart, I offer my condolences to his family and friends.
Posted by Angappa Gunasekaran on July 2, 2021
I was shocked and very sad when I heard the passing away of Syed from his only son, Tahin. In fact, I talked to him a few times prior to one month his passing away that too when he was not keeping well. Despite his inability to talk, he said, "let us talk, but I cannot speak much and will listen to you". He was even wishing me in my job search despite his poor health. I consider Syed as my loving brother and great friend. In 1995, we moved to Australia as immigrants, Syed and Bhabi were the first ones to invite us to their home for dinner and they are truly generous and humble couple I have ever come across. I still remember the day when I visited Syed and his family as they always make so many items for lunch and dinner and repeated the same when I visited him in Mankato. Syed has visited us when were in London and we were so happy to spend time with him. After we moved to the US, I have been constantly in touch with him. We used to talk hours over phone and he listens to us about our problems, but not the other way when he was in North Dakota and then in Mankato. He has encouraged me to apply for a position at MSU Mankato in 2012 and helped me in many ways without expecting any return. This is all about the generosity of Syed and Bhabi is the same. He is always pleasant, calm, happy and helpful. I still remember visiting Syed and Bhabi in Mankato. They are so generous and great human beings. We have worked on research projects, and edited a special issue and book on multimedia and it was a popular topic in those days. Syed is always with us and his memories stay forever. We used to talk about his summer gardening including growing vegetables and so on. It is a great loss for me and for my family as we miss a great friend and human being. My heartfelt condolences go to my Bhabi and Tahin. Syed is always with us and he is around seeing us all the time from heaven. I never forgot your help and kindness, Syed. You are always in my heart, Syed. I am unbale to accept he is not with us anymore. Our thoughts and prayers are with Bhabi and Tahin. Rest is Peace, Syed.
his Life

Marriage day - 30th September


Poriti bosor amara ei din eksathe khetam, beratam, gift kine dito, ami o ditam. Anek bosor amra sabi tulechi. R konodin Mahbub ke niye amader dui janer ei sundar marraige day palon kora hobe na. Mahbub ke pabo na r konodin -  sabi dekhe beche thakte hobe baki jibon vabte pari nai. 

Jajabor er jibon khub sundar bhabe katiyechi amra tin jan.  
Chele school sesh kore chale jaoyer pore - sudu dui janer jibon.  
University barir kache. Paye hete sakale eksathe kaje jetam, dupure - eksathe lunch korte bashaye ashtam. Bikale eksathe gore firtam. 
Amra duijan ja peyechi - tai kheyechi- jayga pele ghumiyechi.  Sadharon jibon japon korechi. 
Kono avijog, kono abdar chilo na. Boro bhalo manush chilo. Loving caring sacrificing personality r manush chilo. 

COVID 19- amader jibon ke bodle dilo. Duijan e khub vitu prokritir.  Tai Doctor ke avoid koreche. Sab samaye sustha chilo. Tai ignore koreche batha. Vebeche sere jabe - dire dire. Baire kothao jetam na. Online e bazar kortam. Bondi jibon - sab kisu sesh kore dilo. 

Allah r plan amra janina - tai sab sesh hoye gelo alpo samye r modhe. Sandar khabar order deya hoyechilo . Ta khaoya hoye nai. Heart attack holo.
Sab sesh hoye gelo khub taratari. Mayo clinic - Rochester - minnesota, hospital e highly equipped facility te, highly educated doctors der samne chale gelo ajanar deshe. 
Anek  ashe apurno raye gelo - bahu kaj - plan - ........... 




Cemetery - Garden OF Eden

Garden Of Eden
Ever green memorial garden
Pleasant View memorial garden 
Lot 107, Section C,
Plot 5 - Mahbubur Rahman
Plot 4 - Sharifun Syed

Another plot purchased to make a bench
Below: plot 5 

Office: 12400 Portland Avenue 
South - Suit 115
Brunsvile
MN 55337
Phone: 952-890-9291
mncemetary@yahoo.com


Mahbub poem/kobitha

This was written by Mahbub/Abbu - we found it among his files

Lekhar bishoye amar kono parodorshita nei. Lekhar kotha shunle amar kolom jeno aaro sthabir hoye jai. Ebar lekhar katha shune amar mone bar bar Bhupen Hazarikar ganer shure nijeke eki bhabe shamanno vinno rupe dekhte pacchi. 

Ami ek jajabor, bhulechhi nijeri ghor,
shanti shudho, ai money hoye je prithibi amake korechhe apon
Tobu ami ek jajabor, ami ek jajabor
Ami Gangaar theke Danube hoye, Budapeste giye thekechi
Prague, Paris, Berlin, London aro koto shohor er roop dekhechi,
Makka, Madinai giye tar dhulo mekhechi
Kaabar minarer azan shune nijeke dhonno mone korechi
Ami Dhaka theke rong niye dure Melbourne shohore mekhechhi
Baare baare ami pother taanei poth ke korechhi ghor
Taaito ami jajabor
Bohu jajabor lokkho bihin, amar royechhe pon
Ronger khoni jekhane dekhi, rangiye nibo mon
Ami dekhechhi onek gogon chumbi ottalikar shaari
Tai ekhon Mankato-te eshe, mone hoy, gorechi shesh bari

Mahbub
Recent stories

বুয়েট ৮৭ পুনর্মিলনীতে মাহবুব স্যার এর স্মরণিকা

Shared by Manzur Murshed on November 8, 2021
বুয়েট ৮৭ পুনর্মিলনীতে মাহবুব স্যার এর স্মরণিকা
বন্ধুরা, পুনর্মিলনীর শুভেচ্ছা। আজ আমরা পরম শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি সিএসই বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডঃ মাহবুবুর রহমান সৈয়দ স্যারকে যিনি এ বছরের এপ্রিল মাসে আমাদের মাঝ থেকে বিদায় নিয়েছেন। স্যার এর হাত ধরেই সিএসইর ছাত্রছাত্রীদের পথচলা শুরু। তাঁর স্বর্ণছটার আভাতেই অম্লান ছিল বিভাগের প্রতিটি প্রাণ, ক্লাসরুম, ল্যাব, এমনকি দীর্ঘ বারান্দাটাও। স্যার এর নেতৃত্বে প্রণীত সিএসই শিক্ষা কারিকুলাম এখনও বাংলাদেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুসরণ করা হচ্ছে। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি স্বল্পসময়ে ২০টি মাস্টারস থিসিস সুপারভাইস করেন।

স্যারের জনপ্রিয়তা ও নেতৃত্বগুণের ছটায় বিবর্ণ কিছু শিক্ষকের কুমন্ত্রণা আর তৎকালিন প্রশাসনের উদাসীনতায় বছর তিনেক বাদেই আমরা হারিয়ে ফেলি স্যারকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বর থেকেই। প্রকৃতি অবশ্য এর প্রতিশোধ নিয়েছে মধুরভাবে। বিদায় বেলায় তিনি ছিলেন Minnesota State University, Mankato এর Computer Information Science Department এর চেয়ারম্যান আর তাঁরই প্রথম থিসিস ছাত্র প্রফেসর ডঃ সত্য প্রসাদ মজুমদার বুয়েটের সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্য।

স্যার এর স্মৃতিকে সমুজ্জ্বল রাখতে, সত্য প্রসাদ স্যার সিএসই বিভাগের Hardware Laboratory টি স্যার এর নামে নামকরণে সম্মতি দিয়েছেন। তদসঙ্গে আমরা Mahbubur Rahman Syed Research Chair in Applied Technology প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছি। বুয়েটের যে কোনও বিভাগের শিক্ষক এই সম্মানসূচক পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। BUET 87 Foundation এর তত্ত্বাবধানে তহবিল সংগ্রহের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। সবাইকে এই উদ্যোগে অংশ নিতে অনুরোধ করছি।

অনেকের স্মৃতিচারণায় এসেছে, আমরা যারাই স্যার এর নিবিড় সান্নিধ্য পেয়েছি তাদের অনেকেই ভেবেছি, আমিই স্যার এর সবচেয়ে প্রিয়পাত্র। এমনটি কেবলমাত্র সকলের প্রতি পক্ষপাতশূন্য মনোসংযোগ, কোমল হৃদয়, নির্মোহ জীবনাচার আর নিঃস্বার্থ পরোপকারী মনের মানুষের পক্ষেই অর্জন করা সম্ভব। নিশ্চয়ই মহান সৃষ্টিকর্তা স্যারকে তাঁর প্রিয়পাত্রদের অন্তর্ভুক্ত করবেন, এই আমাদের প্রার্থনা।
Shared by tara syed on November 7, 2021
Dr. Mahbub, My Best Friend

Mahbub My Best Friend

I had known Dr. Mahbub since 1972 when we were students of BUET (Bangladesh University of Engineering and Technology). We went to Hungary together along with 3 other friends. We all got merit scholarships from the Hungarian Government in 1972. First, all the 5 of us were admitted to an International preparatory Institute (Nemzetkozi Elokeszito Intezet), where we learned the Hungarian Language along with pre-university courses.Dr. Mahbub was an honest, down-to-earth person with extraordinary talent. He was liked by everyone for his good behaviour, honesty, organizing capacity. Soon we became friends and then best friends later on. We always used to study together. We went on various activities and outings along with other Bangladeshi colleagues. We also participated in various cultural events, our country’s national days, and other countries’ anniversaries as well.The five of us always sang songs at those events about Bangladesh, mostly patriotic songs. Mahbub liked to sing the song,’ “Joy Joy Nabojato Bangladesh…joy joy Mukti Bahini…….”. We all sang that song in a choir and everybody liked it. We were very popular because of our cultural activities and our good academic results as well.

It is worth mentioning that after a year, in the final exam from this preparatory pre-university school, the Bangladeshi students made the top of the list academically among the students of dozens of countries, including, Germany, Soviet Union, Vietnam, China and many other European, South American and African countries. Our Bangladeshi Ambassador stationed in Poland was invited to Budapest to attend that “year end” ceremony. The ambassador congratulated us and was very proud of us.

In 1973 we went to different Universities. Mahbub and I were admitted to the Budapest Engineering University, and the other Bangladeshi friends were admitted to Medical and Economic University studies. I stayed in a student hostel named, ‘Vásárhelyi Pál Kollégium, the new name is “Baross Gabor Kollegium”, allotted for the students of Civil Engineering. For electrical engineering students, the name of the hostel was “Vár Kollegium”. (Now it is a museum), where Mahbub used to live.

However, Mahbub and I used to meet on a regular basis on the weekend, and if there was any anniversary. We used to go on trips to different cities as well.Sometimes those picnics and tours were organized by Hungarian youth groups especially for foreign students.

During the 5 years of our studies, we formed a student union club for Bangladeshi students in Budapest. We elected Mahbub the first President of our student union, followed by me and others later on. After completing my Master’s degree and working a year at the Hungarian National Railway, MAV, I left Hungary and returned to Bangladesh in 1979. Mahbub stayed in Hungary as he was pursuing his Ph.D. studies.

After completing his PhD in Hungary, Mahbub went back to Bangladesh and joined BUET in the computer science department. Soon he became the head of the department for his talent and dedication to studies and innovation. He was a workaholic.

We met again and continued our friendship. We used to visit each other from time to time. I also visited Dr. Mahbub after he got married. He was very happily married.

While he was a successful and popular Professor at BUET, I changed jobs and joined in the World Bank as a consultant for one year. I resigned from the World Bank a year later as I could not adjust to the local working environment. When I was jobless for about 15 days, Dr. Mahbub called me suddenly and asked me if I would like to go overseas for a teaching position.I replied, yes, of course. I went to his office, and he introduced me to a hiring team from Maiduguri University. Dr. Mahbub did not want to go overseas at that time, so he recommended me to the team. After an interview I was hired and left for Nigeria in 1986, and later in 1988 I immigrated to Canada.Dr. Mahbub went to USA and started working as a professor at Minnesota University. Due to his brilliant academic carrier and dedication, he also became the head of the department at Minnesota University. I had contact with him from time to time.We often discussed how to bring students from Bangladesh for higher studies in North America, and I had already contacted a few interested individuals in Bangladesh to come to Minnesota University, and we discussed this matter over the phone. He always helped Bangladeshi students.

Unfortunately, Mahbub died in April 14th, 2021. Until today I cannot believe he is no more. We had many memories together in Hungary, Bangladesh and North America.(Please see the attached photos of our memories). It is not only a big loss of my best friend, but also a great loss for the University. This kind of brilliant academic person is not very common. I wish and pray that his soul be in peace in Jannah. I also wish that his wife (Vabi) and his only son would recover soon from this loss and sock and would be able to continue their life in peace. Let Allah bless all of them.

Dr. Saleh Kaoser, from Canada.

(Best Friend of Dr. Mahbub)

Fundraising for Commemorating Professor Dr Mahbubur Rahman Syed

Shared by tara syed on October 4, 2021


The Computer Science and Engineering (CSE) Department of Bangladesh University of Engineering and Technology (BUET) is the first department in the field of Information and Communications Technology (ICT) in Bangladesh, which is working relentlessly towards improving computing education and research in the country. From a humble beginning in 1982 with only postgraduate program, soon the CSE Department was able to attract the most talented youths of the country when it started offering the country’s first Bachelor of Science in Engineering (BScEngg) in CSE degree in 1986, under the leadership of Professor Dr Mahbubur Rahman Syed who served as the Head of the CSE Department from 1986 to 1992. Mahbub Sir is widely acknowledged as the architect of the world-class CSE curriculum, which is still relevant and has been followed by all reputed universities in Bangladesh. The continuous enrolment of brilliant students, dedication of the competent teachers, and the amicable environment of teacher-student relationship fostered by Mahbub Sir made the CSE Department a unique one in the country.

Mahbub Sir was born on April 5, 1952. He attended then Momenshahi (now Mirzapur) Cadet College (2nd batch) and commenced his BScEngg degree at the Electrical and Electronics Engineering (EEE) Department of BUET, before departing in 1972 for education in Hungary with scholarship. He received his PhD degree from the Technical University of Budapest in 1980. He returned to BUET in 1982 as a faculty and was promoted to the Head of the CSE Department in 1986. He supervised over 20 Masters by Research theses at BUET and received the Young Excellent Scientist Award from UNESCO. He soon fell victim of internal politics for his success and fame at such a young age and had to leave BUET in 1992. Regrettably, Bangladesh could not avail his service to the fullest potential; the world, however, did not miss that opportunity.

Mahbub Sir continued his passion for teaching and research by serving in reputed universities in Australia and USA. He supervised PhD and master’s theses at Monash University, Melbourne, Australia, edited more than 20 books and special issues of international journals, and served as an external examiner of many PhD theses across the globe. Mahbub Sir was the Chairman and Professor of the Computer Information Science (CIS) Department at the Minnesota State University, Mankato, USA until the day he passed away on April 14, 2021, immediately after celebrating his 69th birthday. He is survived by wife Sharifun Nessa Syed and son Tahin Syed.

Mahbub Sir had an enviably colorful career that started with leading an infant department to its adolescence and ended at leading a matured department to a special height — completing a full circle in some sense. The personal note from the President of Minnesota State University, Mankato may be quoted in this regard, which perfectly captures the true nature of our Mahbub Sir: 

“On a personal note, it was always a pleasure for me to Meet with Dr Syed because he was truly a gentleman and always left me with something to think about. I value his wisdom and insight on a variety of issues and know he cared deeply about others, especially his students. He will be sorely missed.” – Professor Richard Davenport 

Tahin has created a memorial website for Mahbub Sir (https://www.forevermissed.com/mahbubur-syed/) where tributes, stories, and photos from his family, friends, students, colleagues, and the alumni of CSE Department are being archived.

Memorial Awards In a recent Commemoration, Remembrance and Dua Mahfil event organized by the CSE Department, the Vice-Chancellor of BUET Professor Dr Satya Prasad Majumder declared his full support in naming the department’s Hardware Laboratory after Mahbub Sir. To complement this announcement, the alumni of the CSE Department, along with the current students, faculty members of the department and other units of BUET where he served, have planned to create a Memorial Fund for Mahbub Sir by contributing to the BUET Endowment Fund, which is managed by the BUET authority. We plan to invest the Memorial Fund in Bangladesh Government’s Wage Earner's Development Bond to establish the following Memorial Awards, funded from the annual return on investment, to commemorate Mahbub Sir’s passion for teaching and excellence in applied research:



Memorial Award

Description

#

Amount per award

Total amount

1.

Mahbubur Rahman Syed Research Chair in Applied Technology

Awarded to a faculty member of BUET for 6 months with the following entitlement:

  • Teaching relief with teaching assistant for 14 weeks
  • Research assistant for 6 months
  • Conference travel grant
  • Honorarium
2

৳6,25,000

৳12,50,000

2.

Mahbubur Rahman Syed Best Paper Award

Awarded to the authors of best papers in international conferences organized/held in Bangladesh

4

৳5,000

৳20,000

Total

12,70,000

Assuming 10% annual return on investment in Wage Earner's Development Bond, we aim to fundraise 1,27,00,000 = $150,000 (USD) so that these awards are self-sustained perpetually.



How to Contribute? Contributions to this fundraising initiative will be collected through BUET 87 Foundation, a registered non-profit organization in the state of Arizona, USA, which is exempt from Federal income tax under section 501 (c) (3) of the Internal Revenue Code. Contributions to BUET 87 Foundation are deductible under section 170 of the code.

To contribute, please follow the link at http://www.buet87.org/fundraising-for-commemorating-professor-dr-mahbubur-rahman-syed/.